হাতে রেখে Friday, September 26, 2014
স্পর্শিনীর নাম ময়ুরজান,
একটুই বৃষ্টি যেমন চালের নজরে
এক ছুটি সুখ যেমন জীবন পাহাড়ে
জৈনপুর নগ্নবাহু ছুঁয়ে যাবে একান্ত একসাথে
ছু মন্তর চাও যদি করে দেই তাপিত ফুলকি
স্পর্শিনীর নাম দাও চারু
জ্বলন্ত চাঁদ হয়ে সে ভেজা জোছনা আঙিনা করেছে
ও কি হরি, দ্বার খোলো
 ফাগুন এসেই বলে ও কি হরি, দ্বার খুলে দাও
আমি এক মন্ত্রের দেবদূত, ছবি করে সংসার করেছি,
ঘট ভরা জল তুলে স্বচ্ছ করেছি
আলগোছে দ্বৈপায়নে ভারমুক্ত করেছি, এসবের ঋণ দাও
দেনামুক্ত করে
নবায়ন হয়েই যাবে মূহুর্ত জান্নাতে
যথা ওষ্ঠ ঘষে মেজে তপ্ত হয়ে যাবে
হাওয়া দাঁত লক্ষণগীত
তালাবন্ধ হয়ে যাচ্ছে হাট, চানক্যের গুণভাগ, কর্মকার নেই, শুধু ইচ্ছেরা বাগান বিলাস
শুধু এক গোপন নিসর্গ টবে রাখা মাটির ফুলসজ্জা নিজ থেকে উঠে এল কষ্ঠশিরায়
আরো বেশি হতে দাও আরো বেশি দাও।
আরো এক প্রস্থ ভাগ করে বিছানো তৃণের নাম করে
ক্যাকটাসের শপথে বিঁধিয়ে দিচ্ছে ঈশ্বর যন্ত্রণার হাওয়াদাঁত
কৃষাণ জানে না

পূন:পৌনিক ঘুম বড়ি! হন্তা হয়ে মরণ চেয়ে যাই,
       অধরের ফাঁস চেয়ে
টেনে নিয়ে স্মৃতির জলরেখা আর ছেড়ে দিয়ে বর্তমানে
ইক্ষু চিবিয়ে
                 আঁশ হয়ে যাচ্ছে কৃষ্ণের মুরালি
বারান্দার খোলা চেয়ারে বসে আছে চড়াই,
ঠুকরে নেয় খুদ পাখি

...
খেলতে খেলতে শাবকেরা বল ছুঁড়ে দেয় চাঁদের দিকে
ঝরে যায় কেওড়ার ফুল,
ঘড়ি বাজার আগে
দিবসহরিণ হঠাৎ শয্যা থেকে তুলে নেয় তাকে